ঢাকার সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা বকশীগঞ্জের আবু সুফিয়ান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় বরং গুলিবিদ্ধ হয়েছিল জামালপুরের কারা বিদ্রোহের ঘটনায়। এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন জামালপুর জেলা কারাগারের সাবেক জেলার আবু ফাতাহ। তিনি বলেন, আবু সুফিয়ান জামালপুরে কারা বিদ্রোহের একজন লিডার ছিল। ওই সময় সুফিয়ানসহ সাতজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছিলাম। সুফিয়ান গুরুতর আহত ছিল। তাকে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে কি হয়েছে আর জানি না।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাজতি আবু সুফিয়ানকে বকশিগঞ্জে এক স্কুল শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি মামলায় গত ১৫ এপ্রিল জেলা গোয়েন্দা শাখা-২ অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করে। পরের দিন আসামীকে আদালতে প্রেরন করা হয়। পরে আসামি আবু সুফিয়ান দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিলে আদালত আসামিকে জামালপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন।
গত (৮ আগস্ট) বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে কারাগারে বন্দীরা বিদ্রোহ করে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় কারারক্ষীরা গুলিবর্ষণ করলে সাতজন বন্দী গুলিতে মারা যায় এবং ১৯ জন আহত হয়।
জামালপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি২) এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা জানান, আবু সুফিয়ান ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলা কারাগারে ছিল। গত ৮ আগস্ট কারা বিদ্রোহের ঘটনায় সে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিল। সে সোমবার দিবাগত রাতে মারা গেছে।
